হোম > সারা দেশ > নরসিংদী

ঘোড়াশাল সার কারখানায় মিলল নিখোঁজ বৃদ্ধের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিচ্ছিন্ন লাশ

নরসিংদী প্রতিনিধি

ঘোড়াশাল সার কারখানার নাগমন্দির এলাকার একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদীর পলাশে নিখোঁজের তিন দিন পর ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার ভেতর থেকে হাত-পা ও পুরুষাঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় সাহজাহান তালুকদার (৭৫) নামের এক বৃদ্ধের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ রোববার দুপুরে কারখানার নাগমন্দির এলাকার একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সাহজাহান তালুকদার পলাশ উপজেলার ভাগ্যেরপাড়া এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আহমদ তালুকদারের ছেলে।

নিহত সাহজাহানের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে ভাগ্যেরপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে বের হয়ে সাহজাহান তালুকদার নিখোঁজ হন।

আজ সকালে সারের কারখানার নাগমন্দির-সংলগ্ন পরিত্যক্ত এলাকায় কাজ করার সময় স্থানীয় কয়েকজন লোক একটি ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলে তারা পলাশ থানা-পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহত সাহজাহানের ছেলে আল আমিন বলেন, ‘বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আমরা বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি; কিন্তু কোথাও তাঁর সন্ধান পাইনি। আজ খবর পেয়ে এসে বাবার বিকৃত মরদেহ দেখতে পাই।’

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, উদ্ধারের সময় মরদেহে দুই হাত, পায়ের আঙুল ও পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৃশংসভাবে হত্যার পর পরিচয় গোপন ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে নির্জন স্থানে এনে ফেলে রাখা হয়েছিল। মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে ও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে।