হোম > সারা দেশ > নারায়ণগঞ্জ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে খানাখন্দ, বাড়ছে শঙ্কা

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

টানা বৃষ্টি এবং অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহন চলায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। এতে যানবাহন চলাচলে তৈরি হয়েছে ঝুঁকি। গতকাল সোনারগাঁ ও বন্দর উপজেলার সীমান্ত জাঙ্গাল এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে কাঁচপুর সেতু থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত কার্পেটিং উঠে গিয়ে তৈরি হওয়া এসব খানাখন্দের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। এ ছাড়া খানাখন্দের কারণে এই সড়কে যানবাহনের গতিও কমেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের কাঁচপুর সেতুর ঢালু এলাকা থেকে চেঙ্গাইন, মদনপুর, কেওঢালা, লাঙ্গলবন্দ, সোনাখালী, দড়িকান্দি, টিপুর্দী, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ও মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন স্থানে সড়কের পিচ উঠে গেছে। এতে কোথাও ছোট, কোথাও বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় অনেক গর্ত দূর থেকে বোঝা যায় না, ফলে দ্রুতগতির যানবাহনের চালকদের জন্য এগুলো মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

অনেক চালক গর্ত এড়াতে হঠাৎ লেন পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে পেছনে থাকা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অনেক সময় ভারী যানবাহনের চাকা গর্তে আটকে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও বাস ও ট্রাক ধীরগতিতে চলায় দীর্ঘ যানজটও সৃষ্টি হচ্ছে। তবে মোটরসাইকেলের চালকেরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা জানান, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পর সড়কের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। আগে যেসব স্থানে ছোট গর্ত ছিল, সেগুলো এখন বড় আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন যানবাহনের চাপে গর্তগুলো আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

চালক আলম মিয়া বলেন, ‘মহাসড়কের এসব গর্তে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো আছেই, গভীর রাতে ছিনতাইয়ের ভয়ও রয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন।’

আলম মিয়া আরও বলেন, এ অংশে প্রায়ই জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করা হয়। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই আবার পিচ উঠে যায়। স্থায়ী সমাধান না হলে এ দুর্ভোগ কমবে না।

কুমিল্লা থেকে আসা তিসা পরিবহনের যাত্রী সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘দিনের বেলায় গর্তগুলো দেখা গেলেও রাতে চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।’

প্রাইভেট কারের চালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে গর্তের গভীরতা বেড়েছে। গাড়ির চাকা গর্তে পড়লেই নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা থাকে। এটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, টানা বর্ষণ ও পানি নিষ্কাশনের সমস্যা—এই তিন কারণে সড়কের ক্ষতি বেশি হচ্ছে। কোথাও কোথাও সড়কের পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড়ও পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছে, ফলে বৃষ্টির পানি দীর্ঘ সময় সড়কের ওপর জমে থাকছে। এর সঙ্গে রয়েছে অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহনের চলাচল।

একদিকে পানি দীর্ঘ সময় সড়কের ওপর জমে থাকায় পিচ নরম হয়ে উঠে যাচ্ছে, অপরদিকে ভারী যানবাহনের চাপে দ্রুত গর্ত তৈরি হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, ‘টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। ইতিমধ্যে মেরামতকাজ শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে। আশা করছি, দু-এক দিনে মধ্যে সড়কটি সংস্কার করা সম্ভব হবে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: গুলিবিদ্ধ হয়ে সুমাইয়ার মৃত্যুর দুই বছর, বিচারের আশায় পরিবার

সোনারগাঁয়ে মুচলেকা দিয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়ার ঘোষণা দুই কারবারির

সারা দেশে ১০টি আন্তর্জাতিক স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

মাদকবিরোধী র‍্যালি করায় কোপানোর অভিযোগ, ফাঁকা গুলি ছুড়ে ছড়াল আতঙ্ক

শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের সেই ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন

স্পিডবোট রক্ষণাবেক্ষণের সময় নদীতে পড়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি নিখোঁজ

ইয়াবার মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আদমজী ইপিজেডের পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

নারায়ণগঞ্জে ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার ৫

দেশসেরা প্রধান শিক্ষক সোনারগাঁয়ের বি আর বিলকিস