হোম > সারা দেশ > নারায়ণগঞ্জ

মুখে গামছা বেঁধে মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

প্রতীকী ছবি

১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে মাদ্রাসার বাথরুমে নিয়ে মুখে গামছা দিয়ে বেঁধে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ৩১ আগস্ট (সোমবার) নারায়ণগঞ্জের মুসলিমনগর এলাকার তাহসিনুল কোরআন মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে এক ব্যক্তি জানান, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একটি মাদ্রাসার এক শিক্ষক ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণ করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন শিক্ষককে মারধর করে আটকে রেখেছেন এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে ফতুল্লা থানাকে বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ছাত্র হাফেজি পাস করার পর ভালোভাবে কোরআন মুখস্থ করতে প্রায় এক বছর আগে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, গত এক বছর ধরে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন। সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট রাতে ওই ছাত্রকে ধর্ষণ করা হলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে ছাত্রটির মা খবর পেয়ে তাকে মাদ্রাসা থেকে বাসায় নিয়ে যান। বিষয়টি জানার পর তিনি স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় শিক্ষক অভিযোগ স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার বরুনদা গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি বর্তমানে মুসলিমনগরের তাহসিনুল কোরআন মাদ্রাসায় শিক্ষক।