ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান বলেছেন, আমাদের শহরের কোরবানির বর্জ্য দুপুর ২টার পর থেকে পাওয়া যায়। আমরা দুপুর ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত এই ৩ ঘণ্টা কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কারে কাজ করব। আমিসহ ৮০০ কর্মী মাঠে একযোগে কাজ করব। যাতে সন্ধ্যার আগেই শহরের কোথাও কোনো জায়গায় কোনো বর্জ্য না থাকে।
আজ বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের সার্কিট হাউস মাঠসংলগ্ন সড়কে অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মসিক প্রশাসক। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে কোরবানির পশুর হাট ও ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন করেন প্রশাসক।
মসিক প্রশাসক আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে আলাদাভাবে পাঁচ হাজার টাকা ঈদ বোনাস দিয়েছেন, যাতে তারা উৎসাহ নিয়ে কাজটি করে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কথা দিয়েছেন, তারা সঠিকভাবে কাজটি সম্পন্ন করবেন। আমরা এবার আলোকিত ঈদ করতে চাই নগরবাসীকে নিয়ে।’ ’
রুকুনোজ্জামান বলেন, ‘‘গত রাতে তিনটা পর্যন্ত আমি বিভিন্ন হাট ভ্রমণ করেছি। আমাদের প্রত্যেক হাটে ইজারাদার নির্ধারিত রেটের চেয়ে আরও কম মূল্যে খাজনা আদায় করছে। সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন রাস্তায় চেক করছি, কোথাও কোনো চাঁদাবাজি হচ্ছে না। অন্য যেকোনোবারের চেয়ে নিরাপদভাবে গরু কেনাবেচা করতে পারছে মানুষ। ফজরের নামাজের পরই হাটগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে। সব হাটে আমাদের পানির গাড়ি এবং ময়লার গাড়ি একসঙ্গে কাজ শুরু করবে। এখন যা বর্জ্য, সেটা নিয়ে যাবে। নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ, আপনারা নিজের ঘরটি যেভাবে পরিষ্কার রাখেন, এই নগরকে পরিষ্কার রাখতেও আমাদের সহযোগিতা করবেন। কোনো ড্রেনে বর্জ্য ফেলবেন না, রাস্তায় ফেলবেন না। আমরা ঘরে ঘরে একটি করে ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার পৌঁছে দিয়েছি। ময়লাগুলো ব্যাগে ভরে রাখবেন, আমাদের কর্মীরা গিয়ে নিয়ে আসবে।’ ’
এরপর নগরের কেন্দ্রীয় আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শনে যান সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। এ সময় তিনি বলেন, আবহাওয়া ঠিক থাকলে আশা করি, মুসল্লিরা ভালো পরিবেশে নামাজ পড়বেন এবং কোথাও কোনো ধরনের কোনো আবর্জনা থাকবে না। এখানে আমাদের দুটি টিম কাজ করছে।
এ সময় সিটি করপোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ময়মনসিংহে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা