বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘বিশ্ব গণতান্ত্রিক সম্মেলনে ১০৭টি দেশ আমন্ত্রণ পেলেও বাংলাদেশ বঞ্চিত হয়েছে। এটি এ সরকারের জন্য দ্বিতীয় থাপ্পড়। এ সরকার দেশকে একের পর এক থাপ্পড় খাওয়াচ্ছে ভিন দেশ ও সংগঠনের দ্বারা।’
আজ রোববার বিকেলে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মাঠে বিএনপির এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বেলা সোয়া ৩টায় করোনা আক্রান্ত বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্থতা কামনা করে কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়।
বিএনপির প্রভাবশালী এ নেতা বলেন, ‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার হরণ করার কারণেই আমেরিকা ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে নষ্ট হয়েছে। এই স্যাংশনে বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আমরা আল্লাহকে বলতাম মাটি ফাঁক করো নিচে চলে যাই।’
আমীর খসরু আরও বলেন, ‘বিদ্যুতের উচ্চ মূল্যের টাকা ও ব্যাংক লুটের টাকা আওয়ামী সিন্ডিকেটের পকেটে যাচ্ছে। তাদের নেতা-কর্মীরা অবৈধ পন্থায় সাধারণ মানুষের টাকা মেরে আজ কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহসাংগঠনিক শাহ ওয়ারেস আলী মামুন ও শরীফুল আলম।
বক্তব্য দেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, সাবেক সংসদ সদস্য শাহ নূরুল কবীর শাহীন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু প্রমুখ।
সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, দক্ষিণ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর মাহমুদ আলম ও উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার।
জনসমাবেশকে ঘিরে দুপুর থেকে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে থাকে। পরে বেলা ২টার দিকে মিছিল করে জনসমাবেশ স্থলে যোগ দেন নেতা-কর্মীরা।