ময়মনসিংহে সাথী আক্তার (৩৮) নামের এক নারীকে হত্যা মামলায় হৃদয় মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শামসুদ্দিন এই রায় দেন। আসামির উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আরও বলা হয়, অর্থদণ্ডের টাকা হৃদয়ের সম্পত্তি থেকে আদায় করে নিহতের পরিবারকে প্রদান করতে হবে।
সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আনোয়ার আজিজ টুটুল মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মোবাইল কল দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বাগ্বিতণ্ডা ঘটে। এরই জেরে হৃদয় মিয়া ছুরিকাঘাত করে সাথী আক্তারকে হত্যা করে।’
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হৃদয় মিয়া নগরীর জুবলী কোয়াটার এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে। নিহত সাথী আক্তার একই এলাকার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২১ মে মোবাইলে কল দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে ২৩ মে রাত ২টার দিকে হৃদয় মিয়া আকুয়া জুবলী কোয়ার্টার এলাকায় ভাড়া বাসায় ঢুকে সাথী আক্তারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে সাথী আক্তারকে গুরুতর আহতাবস্থায় ফেলে চলে যায় হৃদয়। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সাথী আক্তারের বোন শিউলি আক্তার বাদী হয়ে একই এলাকার বাবুল ও হৃদয়ের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করে হৃদয়ের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।