হোম > সারা দেশ > মৌলভীবাজার

মজুরি বৃদ্ধিসহ ১০ দফা দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ সমাবেশ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মজুরি বৃদ্ধিসহ ১০ দফা দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ। ছবি: আজকের পত্রিকা

চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ, ৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির গেজেট বাতিল, ভূমির মালিকানা নিশ্চিতকরণ এবং চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (সিবিএ) নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন চা-শ্রমিকেরা।

আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার কালিটি চা-বাগানে চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শ্রমিকেরা এক ঘণ্টার কর্মবিরতিও পালন করেন।

কালিটি চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিমা অলমিকের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণদাস অলমিকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক এস এম শুভ, শ্রমিকনেতা দয়াল অলমিক, বিশ্বজিৎ দাস, কার্তিক নাইডু ও সীতারাম অলমিকসহ অনেকে।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার অত্যন্ত অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অমানবিক। প্রতিবছর মাত্র ৮ টাকা করে মজুরি বৃদ্ধি শ্রমিকদের সঙ্গে তামাশা ছাড়া কিছু নয়। বর্তমান ১৮৭ টাকা দৈনিক মজুরিতে জীবনধারণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই সম্মানজনক জীবনের জন্য ন্যায্য মজুরি এখন প্রতিটি চা-শ্রমিকের প্রাণের দাবি।

বক্তারা আরও বলেন, এ ভূখণ্ডে প্রায় ২০০ বছর ধরে বসবাস করলেও চা-শ্রমিকেরা এখনো ভূমিহীন। ভূমির মালিকানা না থাকায় তাঁরা নাগরিক নানা সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে চা-শ্রমিকদের জন্য ভূমির মালিকানা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।

সমাবেশ শেষে চা-শ্রমিকেরা একটি মিছিল বের করে বাগানের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

কমলগঞ্জে পাহাড়ি ছড়া থেকে সিলিকাবালু লোপাটের হিড়িক, মানা হচ্ছে না উচ্চ আদালতের রায়

কমলগঞ্জে ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকরের দাবি চা-শ্রমিকদের

শ্রীমঙ্গলে লোকালয় থেকে ১৮ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর

হামহাম জলপ্রপাতে আটকা ১০ শিক্ষার্থী, ৯৯৯–এ কল পেয়ে উদ্ধার

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই যুবক আটক

ধলাই নদের সেতুর পাশেই ড্রেজারে বালু উত্তোলন, হুমকিতে সেতু ও তীরবর্তী বসতঘর

শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যুবকের কারাদণ্ড

মৌলভীবাজার: টিলাধসের ঝুঁকিতে ৫০ হাজার মানুষ

মৌলভীবাজারে ৪ অনলাইন জুয়াড়ি র‍্যাবের হাতে আটক

চার বছরে টিলা ধসে ১০ মৃত্যু, তবু ঝুঁকি নিয়ে অর্ধ লাখ মানুষের বসবাস