হোম > সারা দেশ > মানিকগঞ্জ

মা ইলিশ রক্ষায় আগাম অভিযান, শিবালয়ে ২০ লাখ টাকার জাল ধ্বংস

ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি  

আগাম অভিযানে জব্দ জাল ধ্বংস করা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। এই অভিযানে প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

আজ সোমবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বড় আনুলিয়া গ্রামের জাল-সুতা ব্যবসায়ী হানিফ মোল্লার বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদ-নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই নিষিদ্ধ জাল মজুত ও বাজারজাত ঠেকাতে নজরদারি জোরদার করেছে প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড় আনুলিয়া গ্রামে এই অভিযান চালানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে হানিফ মোল্লার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। ইউএনওর হিসাবে জব্দ করা জালের বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা। পরে জব্দ করা সব জাল ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানসংশ্লিষ্টরা জানান, হানিফ মোল্লার ছেলে ফরহাদ এসব নিষিদ্ধ জাল মজুত করে আরিচা ঘাটসহ আশপাশের বিভিন্ন হাটবাজার ও মাছশিকারিদের কাছে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। তবে অভিযানের সময় তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তথ্য জানার জন্য তাঁর স্ত্রী বৃষ্টি আক্তারকে (৩২) থানায় নেওয়া হয়। ইউএনও জানান, পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার বলেন, বড় আনুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। নিষিদ্ধ জাল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ফরহাদকে আটকের চেষ্টা চলছে। মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকাকালে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।