মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে একটি গুদাম থেকে ১২৭টি এলপিজি সিলিন্ডার উদ্ধার করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়।
আজ বুধবার সাটুরিয়া উপজেলার সাটুরিয়া ও দরগ্রাম বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান রুমেলের নেতৃত্বে অভিযানটি চলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তা তদারক করতে অভিযান চালানো হয়। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যাস মজুত ও বিক্রির নথিপত্র এবং মূল্যতালিকা যাচাই করা হয়। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
দরগ্রাম বাজারের মোকাদ্দেছ এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা এবং সাটুরিয়া বাজারের আবদুল্লাহ এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই বাজারের মাছরাঙ্গা এন্টারপ্রাইজকে ৪০ ও ৪৪ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ১২৭টি এলপিজি সিলিন্ডার গুদামে না রেখে সরকারি নির্ধারিত বাজারমূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়।
সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা ১২৭টি এলপিজি সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সেগুলো নির্ধারিত সরকারি মূল্যে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা নির্ধারিত মূল্যের বেশি দাম নেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
অভিযানে মানিকগঞ্জ জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রওশন আরা রিনি, সাটুরিয়া উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নিলুফা ইয়াসমিন ঝরনাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।