হোম > সারা দেশ > কুষ্টিয়া

নিখোঁজ বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার, কোমরে বাঁধা ছিল বালুর বস্তা

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

প্রতীকী ছবি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে নিখোঁজের চার দিন পর হাসনা খাতুন (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গোবিন্দগুনিয়া এলাকার জিকে (গঙ্গা-কপোতাক্ষ) খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় তাঁর কোমরে বালুর বস্তা বাঁধা ছিল।

পরিবারের দাবি, হাসনা খাতুনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

নিহত হাসনা খাতুন মিরপুর উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের খাড়ারা গ্রামের করিম আলীর স্ত্রী।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাত ১২টার দিকে ছেলে হাসান আলীর সঙ্গে হাসনা খাতুনের সর্বশেষ কথা হয়। এরপর তিনি নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদান মঙ্গলবার ভোরে পরিবারের সদস্যরা ঘরে তাঁকে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার মিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন স্বজনেরা।

আজ শুক্রবার সকালে গোবিন্দগুনিয়া এলাকায় ওই খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা মরদেহটি হাসনা খাতুনের বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশ জানায়, মরদেহের কোমরে গামছা দিয়ে বালুর বস্তা বাঁধা ছিল। এ অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনেরা এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন। তাঁদের অভিযোগ, হাসনা খাতুনকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে খালের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

কুষ্টিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার (মিরপুর সার্কেল) মাহমুদুল হক মজুমদার জানান, হাসনা খাতুন নিখোঁজের ঘটনায় তাঁর ছেলে থানায় জিডি করেছিলেন। এর পরদিন খালের পানি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।