হোম > সারা দেশ > কুষ্টিয়া

বিরূপ সড়কই মূল বাধা

তামীম আদনান, দৌলতপুর (কুষ্টিয়া)

গতকাল কুষ্টিয়া সমন্বিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যালয়ে। ছবি: আজকের পত্রিকা

জন্ম থেকেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী আলফাজ আহম্মেদ। পারিবারিক সহযোগিতা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। এখন তিনি নিজ এলাকা কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার গোসাইডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আলফাজ শারীরিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে কর্মজীবনে এগিয়ে চললেও সড়কের প্রতিকূল পরিস্থিতি বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ফুটপাত দখল হওয়া ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের চলাচলের নুপযোগী সড়কের কথা সামনে এসেছে।

সমাজসেবা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ৮ হাজার ৪১২ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রয়েছেন।

আজ ১৫ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য, ‘দৃষ্টি যেখানে সীমিত, সম্ভাবনা সেখানে সীমাহীন’। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের সঙ্গে আলাপকালে তাঁদের জীবনযাত্রায় অন্যতম বাধা হিসেবে সড়কে চলাচলে নানা প্রতিবন্ধকতা উঠে আসে। এ ছাড়া জনসচেতনতার অভাব ও কর্মক্ষেত্রে সুযোগের সীমাবদ্ধতার কথাও জানা যায়।

গতকাল বুধবার জেলা সমাজসেবা দপ্তর পরিচালিত কুষ্টিয়া সমন্বিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা করাচ্ছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাসে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা আব্দুর রাজ্জাক। এখানে মোট ১৫ শিক্ষার্থী রয়েছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলফাজ আহম্মেদ বলেন, ফুটপাত দখল ও যানবাহনের চালকদের অসচেতনতার কারণে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে সড়কে চলতে হয়।

কুষ্টিয়া জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল লতিফ সেখ বলেন, বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবসে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের নানা সমস্যা ও সমাধানের প্রস্তাব তুলে ধরা হবে।