কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর ভাঙন ঠেকাতে টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে মানববন্ধনে বক্তারা বলেছেন, নদী ভাঙনে উপজেলার মেখলি এলাকার শত শত বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখনো ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি ও আবাদি জমি। প্রতিনিয়ত নদীভাঙনে ছোট হয়ে আসছে এলাকার মানচিত্র।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘অ্যাক্টিভিস্টা কুড়িগ্রাম’ ও ‘ফুলবাড়ী উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ডিস্ট্রিক্ট ক্লাইমেট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক এম রশিদ আলী, এক্টিভিস্টা কুড়িগ্রামের প্রতিনিধি আরজু খাতুন, ডোনেট ফর ভূরুঙ্গামারীর সদস্য চামেলি খাতুন, ফুলবাড়ীর বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইলিয়াস আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এ সময় এম রশিদ আলী বলেন, ‘ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে স্থানীয়রা এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে এক সময় মেখলিসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। অনতিবিলম্বে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নাহয় এলাকাবাসী পাউবো অফিসে এসে বসবাস শুরু করবে।’
জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, মেখলি এলাকাসহ ফুলবাড়ীর বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। জরুরি প্রতিরক্ষা কাজের প্রস্তাবনা দিয়ে কয়েক দিন আগে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। অপ্রতুল বরাদ্দে ওই স্থানে ভাঙন রোধ করা কঠিন।