কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিখোঁজের চার দিন পর জনতা ব্যাংকের এক কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রেললাইনের পাশের ঝোপ থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পাশ থেকে একটি বোতলও উদ্ধার হয়েছে, যেটিতে বিষ জাতীয় কিছু থাকতে পারে বলে ধারণা করছে তারা।
আজ বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার মিরারচর এলাকার রেললাইনের পাশে ঝোপ থেকে আলমগীর হোসেন (৪০) নামে ওই ব্যাংক কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আলমগীর জনতা ব্যাংকের ভৈরব শাখায় কর্মরত ছিলেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নূরপুর লম্বাহাটি গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তাঁর শ্বশুরবাড়ি ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ আদর্শপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের জহির উদ্দিন মিয়ার মেয়ে তাসলিমা বেগমকে বিয়ে করেন। তাসলিমা বেগম স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চার দিন আগে আলমগীর হোসেন নিখোঁজ হন। বুধবার সন্ধ্যায় মিরারচর এলাকায় রেললাইনের পাশে ঝোপে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে ভৈরব থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় ভৈরব রেলওয়ে পুলিশও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, মরদেহের পাশ থেকে একটি বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। বোতলে বিষ জাতীয় কোনো পদার্থ থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে তদন্ত ও রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছে রেললাইনের পাশের ঝোপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।