খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় যাওয়ার পথে যশোরের মনিরামপুরে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ সোমবার মনিরামপুর-কেশবপুর সড়কের ফকির রাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ১০ জন আহতের দাবি করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কর্মীরা জানান, সংঘর্ষে জড়ানো ব্যক্তিরা হলেন স্থানীয় সংসদ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যর অনুসারী এবং তার আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি ইয়াকুব আলীর অনুসারীরা। আগামী সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে।
কৃষক লীগ নেতার অনুসারী মুর্শিদ হাসান ইমন বলেন, ‘আমরা খুলনায় মহাসমাবেশে যাওয়া জন্য গাড়িতে উঠছিলাম; এ সময় প্রতিমন্ত্রীর ছেলে শুভ আমাদের গাড়ি সরাতে বলে ড্রাইভারের সঙ্গে তর্কবিতর্কে জড়ায়। এর পর প্রতিমন্ত্রীর অনুসারীরা হকিস্টিক, চায়নিজ কুড়ালসহ লাঠি দিয়ে আমাদের লোকজনদের মারতে থাকে।’
মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, তিনি এবং আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াকুব আলী শতাধিক গাড়ি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্যের ছেলে শুভর নেতৃত্বে উচ্ছৃঙ্খল কয়েকজন যুবক তাদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ / ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের যশোর ও মনিরামপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় উচ্ছৃঙ্খল যুবকেরা গাড়িও ভাঙচুর করে।
অভিযোগের বিষয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমি খুলনাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে আছি। এ বিষয়ে কিছু জানি না।’ এমনটি ঘটলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন আহত হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনার সময় সড়কে তীব্র জ্যাম ছিল। আগে যাওয়াকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।