হোম > সারা দেশ > খাগড়াছড়ি

গুইমারায় আক্রই-আথুই-থৈইচিং স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি, হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 

গুইমারার রামেসু বাজার-সংলগ্ন এলাকায় শহীদ আক্রই, আথুই ও থৈইচিং মারমার স্মরণসভা। ছবি: আজকের পত্রিকা

খাগড়াছড়ির গুইমারায় শহীদ আক্রই, আথুই ও থৈইচিং মারমার প্রতি আনুষ্ঠানিক সম্মান প্রদর্শন ও স্মরণসভা করেছে শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদ এবং ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদ। আজ সোমবার গুইমারার রামেসু বাজার-সংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি উষাতন চাকমার সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের সভাপতি রূপসী চাকমা, শহীদ জুনান চাকমার মা, লক্ষ্মীছড়ি ১ নম্বর ইউপি চেয়ারম্যান প্রবীল কুমার চাকমা; লক্ষ্মীছড়ি কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রতন বিকাশ চাকমা; সিন্দুকছড়ির সাবেক সদস্য সুধু অং মারমা এবং দুল্যাতলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ত্রিলোন চাকমা।

হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি রেশমি মারমা সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন।

স্মরণসভা শুরুর আগে একটি চৌকস দল তিন বীর শহীদের প্রতিকৃতি স্থাপন করে। অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ আথৈইপ্রর মা নুনুমা মারমা ও শহীদ আক্রইয়ের মা ক্রাথং মারমা শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের পক্ষ থেকে রূপসী চাকমা এবং শহীদ রুবেলের মা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাইরেন বাজিয়ে শহীদদের স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বক্তারা শহীদ জুনান, রুবেল, অনিক, ধনঞ্জয় এবং রামেসু বাজারে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

বক্তারা ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গুইমারার রামেসু বাজারে অগ্নিসংযোগ ও গুলিতে আক্রই, আথুই ও থৈইচিং মারমার শহীদ হওয়ার ঘটনার স্মৃতি তুলে ধরেন। ওই ঘটনায় অনেকে আহত হয়েছিলেন বলেও তাঁরা জানান।

স্মরণসভা শেষে সাংস্কৃতিক দলের প্রতিবাদী নাট্যকলা প্রদর্শনের মাধ্যমে শহীদ আক্রই, আথুই ও থৈইচিংয়ের শহীদ হওয়ার ঘটনা উপস্থাপন করা হয়। অগ্রণী শিশু-কিশোর কেন্দ্র সন্তু লারমা ও ধর্ষকদের কুশপুত্তলিকা লাঠিপেটা করে পুড়িয়ে ফেলে।