যশোরের চৌগাছায় অবৈধভাবে মজুত ২৭১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। পরে তা সরকারি ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করে টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। অবৈধভাবে মজুত সার জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই নির্দেশ দেন চৌগাছার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি. এম. এ. মুনিব। এ ছাড়া আদালত অবৈধভাবে এই সার মজুত করার অপরাধে খাইরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে চৌগাছা পৌর শহরের পারবাজার এলাকায় খাইরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির দোকানে অভিযান চালিয়ে এই সার জব্দ করা হয়।
পরে চৌগাছার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি. এম. এ. মুনিবের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করা হয়।
এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হোসেন পাটোয়ারী, চৌগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার, উপজেলা সার ডিলার সমিতির সভাপতি ইউনূস আলীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে খাইরুল ইসলাম তাঁর সার বিক্রেতা হিসেবে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। অথচ তাঁর দোকানে ২৮ বস্তা এমওপি, ১৪৭ বস্তা টিএসপি, ৯ বস্তা ডিএপি এবং ৮৭ বস্তা ইউরিয়াসহ সর্বমোট ২৭১ বস্তা সার গুদামজাত করা ছিল। যার খুচরা বিক্রয়মূল্য ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫০ টাকা। পরে আদালত এই সার জব্দ করেন এবং সরকারি ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেন।