যশোরের কেশবপুরে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সরকারি সম্মানীর তালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পাঁজিয়া ইউনিয়ন পর্যায়ের দুই নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে এক সিদ্ধান্তে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী।
অব্যাহতি পাওয়া নেতারা হলেন উপজেলার ৭ নম্বর পাঁজিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাসুদ কামাল এবং ওই ইউনিয়নের ২ নম্বর গড়ভাঙ্গা ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল মুতালেব মোল্লা।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁজিয়া ইউনিয়নের গড়ভাঙ্গা বায়তুন নুর জামে মসজিদের প্রকৃত ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান ও খাদেম আব্দুল রাজ্জাকের নাম বাদ দিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়। জালিয়াতি করে মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার তবিবুর রহমানকে ইমাম ও ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল মুতালেব মোল্লাকে খাদেম হিসেবে দেখিয়ে সরকারি সম্মানীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তালিকাটিতে জালিয়াতির বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দারা স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হলে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিতর্কিত ওই মসজিদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অন্য একটি সঠিক মসজিদের নাম যুক্ত করা হয়।
একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে অভিযুক্ত দুই নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেয় কেশবপুর উপজেলা জামায়াত।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সাইদুর রহমান সাঈদ জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই দুই নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পরে জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রকার সাংগঠনিক কার্যক্রম বা দায়িত্বে তাঁরা যুক্ত থাকতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।