যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতাকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সরকারি এম এম কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলেজের ‘চেতনায় চিরঞ্জীব’ ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে মিছিলটি বের হয়।
মিছিলটি কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত সচিবের অপসারণ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। বিক্ষোভে জেলা ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরাও সংহতি জানান।
লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করা জাহিদ হাসান সেজান সরকারি এম এম কলেজের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও কলেজ ছাত্রদলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক।
জাহিদ হাসান সেজানের অভিযোগ, গতকাল রোববার সকালে সার্টিফিকেটে মা-বাবার নাম সংশোধনের জন্য তিনি শিক্ষা বোর্ডের সচিবের কক্ষে যান। গলায় হেডফোন থাকায় সচিব তাঁকে গালাগাল করেন এবং একপর্যায়ে মুখে চারটি থাপ্পড় মারেন।
সেজান বলেন, ‘আমার কোনো গুরুতর অপরাধ থাকলে তিনি আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারতেন, কিন্তু শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে পারেন না।’
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি বলেন, ‘ঠুনকো বিষয়কে কেন্দ্র করে একজন শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং দ্রুত শিক্ষা বোর্ডের সচিবের অপসারণ দাবি করছি। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
তবে শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, ‘ঘটনার সময় জেলা বিএনপির সভাপতিসহ ওই শিক্ষার্থীর দুই শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষক হিসেবে পিঠ চাপড়ে নৈতিকতার সবক দিয়েছি মাত্র। সেটাকে ট্যাগিং করা কাম্য নয়।’