যশোরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের ২৭ নেতা-কর্মীসহ ১৫৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় মাদকদ্রব্য ও ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পৃথক অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ছাড়াও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা রয়েছেন।
গ্রেপ্তারের পর আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে। অন্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্টভুক্ত মামলায় আটক দেখিয়ে আজ সোমবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়। পরে নিজ নিজ আদালতের বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল রাতে যশোরে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখহাটির মোমেল হোসেন ও যুবলীগ কর্মী রূপদিয়ার বিপুল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। মোমেল হোসেনকে যশোর শহরের আরএন রোড এলাকা থেকে ও বিপুলকে রূপদিয়া এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
এ ছাড়া অন্য ২৫ জন আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। অন্য ১২৮ জন মাদক, চুরি, বিস্ফোরক, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী ও ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার আসামি।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম বলেন, যশোর জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের ২৭ নেতা-কর্মী ছাড়াও ১৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানকালে মাদকদ্রব্য ও ককটেলসদৃশ বস্তুসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।