হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অতনু বণিককে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আজ মঙ্গলবার তাঁর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এএসআই অতনু বণিক এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছেন এবং মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে টাকা চাইছেন। ভিডিওতে টাকা দেওয়া-নেওয়ার দৃশ্যও দেখা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, থানায় দায়িত্ব পালনকালে অতনু বণিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতেন। বিভিন্ন বিষয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, এর আগে একটি মামলার তদন্তে গিয়ে এক নারীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল অতনু বণিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে ওই অভিযোগের পর কোনো তদন্ত হয়েছিল কি না বা তাঁর বিরুদ্ধে কী ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে এএসআই অতনু বণিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এর আগে গতকাল সোমবার চুনারুঘাট থানার আরেক এএসআই ইলিয়াস হোসেনের ঘুষসংক্রান্ত বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তাঁকেও প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।