শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ): সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আজ রোববার থেকে সারা দেশের সব ধরনের শপিংমল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। কিন্তু টানা ১১ দিন পর আজ দোকানপাট খুললেও ক্রেতাদের দেখা মিলছে না বলে জানালেন হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের ব্যবসায়ীরা।
শায়েস্তাগঞ্জের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একটানা লকডাউনের প্রভাব পড়েছে ব্যবসায়। সময়মতো দোকান খুলে বসে থাকলেও বেচাকেনা নেই বললেই চলে। তবে সময়ের সাথে এবং ঈদ সামনে রেখে দ্রুতই ব্যবসায় প্রাণ ফিরবে বলে তাঁরা আশাবাদী।
শায়েস্তাগঞ্জ কে আলী প্লাজার দোকানি আল মামুন বললেন, `দোকান খুলেছি। জানিনা কী হবে। তবে আশাবাদী বেচাকেনা হবে। বাকিটা আল্লাহ জানেন।'
সরেজমিনে দেখা গেছে, লকডাউনের কারণে দোকানগুলোতে নতুন মালপত্র তোলা সম্ভব হয়নি। পুরোনো পণ্য দিয়েই দোকান সাজিয়ে রেখেছেন দোকান মালিকেরা। তবে ঈদ উপলক্ষে নতুন পণ্য আবারও দোকানে তোলার পরিকল্পনার কথা জানালেন দু–একজন।
উপজেলার অলিপুরের আলফাজ শপিং সেন্টারের ব্যবস্থাপক মো. ইকবাল মিয়া বলেন, `দোকান খুলেছি সকাল ১০টায়, দেড় ঘণ্টায়ও কোনো কাস্টমার আসেনি। হয়তো বিকেলের দিকে ক্রেতারা আসবেন। দোকান খুলতে না পারায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। কর্মচারীদের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।'
অলিপুরের ড্রিম ফ্যাশনের মালিক মো. কামরুল তালুকদার বলেন, `দোকানে মালামাল রয়েছে পর্যাপ্ত। কিন্তু ক্রেতা নেই। আর কিছুদিন পর শ্রমিকদের বেতনভাতা হবে, তখন বেচাকেনা বাড়বে আশা করি।
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম বলেন, `আজ থেকে দোকানপাট খোলার বিষয়টি আমরা পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। শায়েস্তাগঞ্জের ব্যবসায়ীদের আমরা এখনো কোনো নির্দেশনা দিইনি। তবে, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে আমরা সিদ্ধান্ত দেব।'