হোম > সারা দেশ > গোপালগঞ্জ

খাবারের বিল নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, পরে হোটেলে হামলা-ভাঙচুর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে হোটেলের খাবারের বিল দেওয়া নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে হোটেলের খাবারের বিল দেওয়া নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার চরপ্রসন্নদি এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে বরিশাল গেট চাইনিজ অ্যান্ড বাংলা হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হোটেলের তিন কর্মচারীকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে ৪-৫ জন লোক খাবার খেতে ওই হোটেলে যান। খাবার খাওয়ার পর বিল দেওয়া নিয়ে কর্মচারীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হোটেলের কর্মচারীরা একত্র হয়ে তাঁদের ওপর হামলা করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাগদি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ শেখের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে হোটেলটিতে হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে হোটেলের খাবারের বিল দেওয়া নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: সংগৃহীত

হোটেলের মালিক এ এস এম মামুন জানান, খাবারের বিল কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে ক্রেতাদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ শেখের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক লোক হোটেলে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে হোটেলের ১০-১৫ জন কর্মচারী আহত হয়েছেন।

হামলায় হোটেলের নগদ ২০ লাখ টাকাসহ অন্তত ৭০-৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত আটক তিন কর্মচারী পুলিশ হেফাজতেই রয়েছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ শেখের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘হোটেলের খাবারের বিল দেওয়া নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’