গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রায় ১০ বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে কবরস্থান, মাদ্রাসার রাস্তাসহ তলিয়ে যায় প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি। এতে প্রতিবছর ব্যাপক ভোগান্তিতে থাকেন মুসল্লি, শিক্ষার্থীসহ পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা। বর্ষার দিনগুলোতে পানিবন্দী থাকায় কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটান তারা। গ্রামে বসবাসরত অধিকাংশ পরিবার চুলায় রান্না করে। বেশির ভাগেরই গ্যাস ক্রয়ের সামর্থ্য নেই। স্থানীয়রা বিষয়টি চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে মৌখিক ও লিখিতভাবে জানালেও তাদের জলাবদ্ধতা দূর হয়নি।
এলাকার জনদুর্ভোগ নিয়ে গত শুক্রবার আজকের পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ‘টুঙ্গিপাড়ায় এক গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দী, অনাহার-অর্ধাহারে কাটছে দিন’ ও শনিবার ছাপা সংস্করণে ‘বর্ষাকালে পানিবন্দী থাকতে হয় ২০০ পরিবারকে’ সংবাদ প্রকাশিত হয়।
সংবাদ প্রকাশের পর আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামটি পরিদর্শন করে পানিবন্দী পরিবারগুলোর খোঁজ খবর নেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এস এম জিলানী। এ সময় এলাকাবাসীর প্রতিবছরের দুর্ভোগ কমিয়ে স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব
আমিনুল ইসলাম, ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এস এম জিলানী বলেন, পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামটিতে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। যেহেতু এটা আমার গ্রাম, তাই সংবাদপত্রে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর পরিদর্শনে এসেছি। আসলে এই জনদুর্ভোগ স্থায়ীভাবে সমাধানের প্রয়োজন। তাই উপজেলা-পৌরসভার প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে ড্রেন নির্মাণ, রাস্তা উঁচু ও প্রশস্ত করার ব্যবস্থা করা হবে। এটা করতে পারলে জলাবদ্ধতা থেকে মানুষ মুক্তি পাবে।