সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রতিকার চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন গাইবান্ধার ৪১ জন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থী।
আজ রোববার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি পাঠানো হয়।
স্মারকলিপি গ্রহণের পর গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ড. মনিরুজ্জামান বলেন, সরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। স্মারকলিপিটি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
স্মারকলিপিতে প্রার্থীরা উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে গাইবান্ধা জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৪৫৬ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হন। সম্প্রতি ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে ৪১ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি। এতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণ এবং পরবর্তী করণীয় জানতে প্রার্থীরা ইতিমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রার্থীদের দাবি, প্রশাসনিক বা যাচাই-সংক্রান্ত কোনো কারণে তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রত্যেক প্রার্থীর ক্ষেত্রে নিয়োগপত্র না পাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ কী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কী এবং এ বিষয়ে তাঁদের পরবর্তী করণীয় কী—তা স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন।
স্মারকলিপিতে তাঁরা আরও বলেন, সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাই তাঁদের নিয়োগের বর্তমান অবস্থা, নিয়োগপত্র না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে লিখিতভাবে জানাতে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।