ফরিদপুরের সদর উপজেলার আলীয়াবাদ ইউনিয়নে পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর (৩৮) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর হাত ও পায়ে থাকা বিভিন্ন চিহ্ন দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী।
গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাদিপুর বাজারসংলগ্ন পদ্মা নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে নৌ পুলিশের ফরিদপুর কোতোয়ালি ফাঁড়ির সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মরদেহটির দুই হাতে শাখা চুড়ি, বাম হাতে সনাতন ধর্মসংক্রান্ত ট্যাটু ও পায়ে নূপুর রয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান বিপুল জানান, নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বিষয়টি জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর নির্দেশে নৌ পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শী মুনসুর আলী জানান, মরদেহটির গলা থেকে নাভি পর্যন্ত সেলাই করা রয়েছে। দুই হাতে শাখা চুড়ি, বাম হাতে সনাতন ধর্মসংক্রান্ত ট্যাটু এবং পায়ে নূপুর রয়েছে। এ ছাড়া গলার অংশও কাটা রয়েছে।
নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পাঁচ থেকে ছয় দিন আগে ওই নারীকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দুই হাতের আঙুল পচে যাওয়ায় এবং মাছে খেয়ে ফেলায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমেও তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তবে পরিচয় উদ্ঘাটনে কাজ চলছে এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।