হোম > সারা দেশ > ফরিদপুর

ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতা হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাবুল আকন্দকে কারাগারে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ছবি: আজকের পত্রিকা

ফরিদপুরে ১৪ বছর আগে সবজি বিক্রেতা ফয়সাল শেখকে (২২) হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) চৌধুরী জাহিদ হাসান খোকন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আইয়ুব আলী সরদারের ছেলে চান সরদার (৪২) ও তারা সরদার (৩৫) এবং একই এলাকার জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে বাবুল আকন্দ (৩৬)। রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। পলাতক দুই সহোদরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর শহরের মধ্য আলীপুর এলাকার বাসিন্দা সবজি বিক্রেতা ফয়সাল শেখকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন চান সরদার, তারা সরদার ও শাহিন সরদারের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন নিহত ফয়সালের মা ফিরোজা বেগম।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ফয়সাল শেখ শহরের হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারের বেইলি ব্রিজ এলাকায় সবজি বিক্রি করতেন। ঘটনার দিন সকালে আসামি চান সরদারের সঙ্গে ফয়সালের কথা-কাটাকাটি হয়। দুপুরে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন একটি ভবনে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাত করেন চান সরদার ও তাঁর সহযোগীরা। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকায় নেওয়ার পথে ফয়সালের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে ফয়সাল ঘটনার বিস্তারিত স্বজনদের জানান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

আদালত সূত্রে আরও জানা যায়, এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান ফরিদপুর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহজাহান মিয়া। তিনি ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই চারজন আসামির নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে তিন আসামির সঙ্গে বাবুল আকন্দের নাম যুক্ত হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ফয়সাল ও চান সরদার পূর্বপরিচিত ছিলেন। মাদক মামলায় চান সরদারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। গ্রেপ্তারে ফয়সাল সহযোগিতা করেছিলেন বলে সন্দেহ ছিল তাঁর। পরে জামিনে বেরিয়ে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে ফয়সালকে হত্যা করেন।

আদালতের পিপি চৌধুরী জাহিদ হাসান খোকন আজকের পত্রিকাকে বলেন, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণে আদালতে হত্যাকাণ্ডটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত এবং তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার আসামি শাহিন সরদার মারা যাওয়ায় তাঁকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাবুল আকন্দকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য দুজন পলাতক। তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ঘুষ নিয়ে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস ভূমি কর্মকর্তার, ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড-জরিমানা

ফরিদপুরে ইয়াবা বিক্রির সময় দম্পতি গ্রেপ্তার

গুনে গুনে ঘুষের টাকা নেওয়া সেই ভূমি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত

অফিসে বসেই গুনে গুনে ঘুষ নেন ভূমি কর্মকর্তা, ভিডিও ভাইরাল

নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, পদ খোয়ালেন বিএনপি নেতা

ওমরাহ করতে গিয়ে প্রাণ গেল প্রবাসী মা-ছেলে-মেয়ের

‘ওরা আমার পেটের সন্তানরে মাইর‍্যা ফেলছে, স্বামীকে কী জবাব দেব?’

ফরিদপুরে পরীক্ষা ছাড়াই অস্ত্রোপচারে কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

পাটখেতে ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা লাশ, মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যার অভিযোগ