প্রায় ৯ মাস বন্ধের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম দিন তিনটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ৪টি ট্রাকে ২৮ টন ৪৪০ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। বন্দরে আমদানিকৃত এই কাঁচা মরিচ মানভেদে প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা দরে। কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে স্থানীয় বাজারে।
আজ সোমবার বিকেল ৪টায় ভারত থেকে কাঁচা মরিচ বোঝাই একটি ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। সবশেষ ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর এ বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি উদ্ভিদ সংঘনিরোধের উপসহকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন।
হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকালে প্রতিকেজি দেশি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছিল ২৮০ টাকা দরে। আমদানি শুরুর পর সেই কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা কেজিতে। তবুও ক্রেতা মিলছে না দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সজিব ট্রেডার্সের প্রতিনিধি পলাশ বলেন, সরকার আমদানি অনুমতি দেওয়ার পর ভারতের বিহার রাজ্য থেকে এসব কাঁচা মরিচ আমদানি করা হচ্ছে। প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বন্দরে পাইকারিতে বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়। এসব কাঁচা মরিচ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে, আমদানি বাড়লে দাম আরও কমে আসবে।
হিলি উদ্ভিদ সংঘনিরোধের উপসহকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, সরকার অনুমতি দেওয়ার পর হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকেরা কাঁচা মরিচ আমদানির জন্য আবেদন করেন। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের ৬৯ জন প্রায় ৩০ হাজার টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন।’
হিলি কাস্টমসের সহকারী কমিশনার খন্দকার সোলাইমান বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধের পর কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। আমদানিকৃত প্রতি টন কাঁচা মরিচ সর্বনিম্ন ৫০০ ডলারে শুল্কায়ন করা হচ্ছে। কাঁচা মরিচ যেহেতু কাঁচা পণ্য তাই দ্রুততার সঙ্গে বন্দর থেকে ছাড়তে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।