হোম > সারা দেশ > ঢাকা

যৌথ ব্যবসার কথা বলে সাড়ে ৭ লাখ টাকার চিংড়ি গায়েব, গ্রেপ্তার ১

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সাড়ে ৭ লাখ টাকা মূল্যের চিংড়ি আত্মসাতের অভিযোগে ছিয়াম হোসেন। ছবি: ডিএমপি

যৌথভাবে মাছের ব্যবসা করার কথা বলে সাড়ে ৭ লাখ টাকা মূল্যের চিংড়ি আত্মসাতের অভিযোগে ছিয়াম হোসেন (২২) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানা-পুলিশ। তার কাছ থেকে চিংড়ি বিক্রির ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

পুলিশ জানায়, মামলার বাদী তরিকুল হক খান ওরফে রবিন সৌদি আরবপ্রবাসী। সৌদি আরবে অবস্থানকালে ফেসবুকে ছিয়ামের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে ছিয়াম নিজেকে মাছ ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে তরিকুলকে যৌথভাবে মাছের ব্যবসা করার প্রস্তাব দেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার পর তরিকুলের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে একই প্রস্তাব দেন ছিয়াম। পরে তিনি ব্যবসায় রাজি হন। গত ১ অক্টোবর তাঁরা বাগেরহাটের একটি মাছের আড়ত থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা মূল্যের ২২ কার্টন চিংড়ি কেনেন। পরে এসব চিংড়ি একটি বাসে ঢাকার উদ্দেশে পাঠিয়ে তাঁরা আরেকটি বাসে রওনা হন। পরদিন রাত ৯টার দিকে বাসটি ধোলাই পাড় এলাকায় পৌঁছালে ছিয়াম কৌশলে বাস থেকে নেমে পালিয়ে যান। একই সঙ্গে তার মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সায়েদাবাদ বাস কাউন্টারে পৌঁছে তরিকুল খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি মাছের কার্টনগুলো ট্রাকে করে নিয়ে গেছেন।

পুলিশ জানায়, ৩ অক্টোবর সকালে তরিকুল জানতে পারেন, গাজীপুরের চান্দনা এলাকায় স্থানীয় লোকজন ছিয়ামকে আটক করে রেখেছেন। খবর পেয়ে যাত্রাবাড়ী থানা-পুলিশের একটি দল দুপুর ১২টার দিকে সেখানে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। এ সময় ছিয়ামের কাছ থেকে ১২ কার্টন চিংড়ি বিক্রির ২ লাখ ১২ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে ছিয়ামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে আরও ২ লাখ ৫৪ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার ছিয়ামকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।