ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় টানা তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজলক্ষ্মী ও আজমপুর এলাকায় কয়েকটি পোশাক কারখানার এক হাজারের বেশি শ্রমিক সড়কে নেমে আসেন। পরে তারা বিমানবন্দর সড়কের দিকে সরে গেলে ওই সড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
বিক্ষোভ চলাকালে শ্রমিকেরা ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাও, নয়তো মজুরি বাড়াও’—এমন স্লোগান দেন। যানবাহন আটকে থাকায় অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শ্রমিক শরিফা বেগম বলেন, ‘আমাদের একটাই দাবি—হয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাতে হবে, নয়তো আমাদের মজুরি বাড়াতে হবে, যাতে আমরা জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে পারি।’
আরেক শ্রমিক বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে তারা দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। এ কারণে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) রুবেল হক বলেন, কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা আজ সকালে আজমপুর এলাকায় সড়কে নেমে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে তারা বিমানবন্দরের দিকে সরে যান। তখন বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শাহজাহান হোসেন বলেন, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ কয়েকটি দাবিতে সোমবার থেকে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়কে বিক্ষোভ করছেন।
এদিকে উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোর্শেদ আলম জানান, বুধবার দুপুর ১টার দিকেও শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে রেখেছিলেন।