হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ডিএইর তিন কর্মকর্তাকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে পোস্টার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ডিএইর প্রধান কার্যালয়ের আশপাশের বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারে লাগানো পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তিন কর্মকর্তাকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে রাজধানীর খামারবাড়িতে পোস্টার লাগানো হয়েছে। আজ বুধবার ডিএইর প্রধান কার্যালয়ের আশপাশের বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারে এসব পোস্টার দেখা যায়। পোস্টারে তিন কর্মকর্তার ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে।

ডিএইর প্রবেশপথ, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন থেকে অধিদপ্তরের প্রধান ফটক পর্যন্ত বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারে পোস্টারগুলো দেখা যায়। জাতীয়তাবাদী সচেতন কৃষিবিদ সমাজের ব্যানারে সাঁটানো পোস্টারে ছবি রয়েছে ডিএইর টিস্যু কালচার প্রকল্পের পিডি তালহা জুবায়ের মাশরুর, উপপরিচালক (প্ল্যানিং) সাখাওয়াত হোসেন ও উপপরিচালক (প্রশাসন) মুরাদুল হাসানের। কৃষি সেক্টর রক্ষার্থে তাঁদের অপসারণও দাবি করা হয়েছে পোস্টারে।

পোস্টারে প্রকল্প পরিচালক তালহা জুবায়ের মাশরুর সম্পর্কে বলা হয়, মাহবুবুল আলম হানিফ ও ড. রাজ্জাকের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। চব্বিশের ৪ আগস্ট শান্তি মিছিলে নেতৃত্বদানকারী ও অর্থদাতা, বিগত সময়ে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তাদের সম্পর্কে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্যকারী। তাঁর সম্পর্কে আরও বলা হয়, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিন ফেসবুকে গান গেয়ে উল্লাস প্রকাশকারী কর্মকর্তা এখন টিস্যু কালচার, মিনি হিমাগারসহ একাধিক প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে নিয়ন্ত্রণ করছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

পোস্টারে উপপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন সম্পর্কে বলা হয়, তিনি কখনোই ছাত্রদল ও বিএনপিপন্থী পেশাজীবী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ফ্যাসিস্ট সরকারে আস্থাভাজন হওয়ায় আওয়ামী আমলে এনএটিপির মতো বৃহৎ প্রকল্পের পিডি হয়েছিলেন।

উপপরিচালক মুরাদুল হাসান সম্পর্কে পোস্টারে লেখা হয়েছে, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামীর সময়ে জামায়াতপন্থী কৃষিবিধ ফোরামে যোগদানকারী। বিগত ফ্যাসিস্টের আমলে সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গাজী গোলাম দস্তগীরকে সোনার নৌকা উপহারদাতা। আরও বলা হয়, যাঁর বিগত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে কোনো ভূমিকা ছিল না, অথচ তিনিই এখন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সব বদলি ও গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন নিয়ন্ত্রণ করছেন।

এসব বিষয়ে জানতে আজকের পত্রিকা থেকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিমকে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।