হোম > সারা দেশ > ঢাকা

কামরাঙ্গীরচরে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, আসামির মৃত্যুদণ্ড

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. জামাল (৩০)। এর পাশাপাশি তাঁকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ ভিকটিমকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবার তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছেন, আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে। ট্রাইব্যুনাল মামলা সংশ্লিষ্ট নথি দ্রুত হাইকোর্টে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আসামি চাইলে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন বলেও রায়ে বলা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি জামাল ও কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বসবাস করত। আসামি তাঁর স্ত্রীর অনুপস্থিতে তার ঘরে ১৪ বছরের ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং তার শরীরে নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে ২০২৪ সালে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষ পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলার বিচার চলাকালে ৯ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রদান করেন।