ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (এফবিএস) ও মলচত্বর সংলগ্ন গেটের সামনে একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় একাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৩২ তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক ড. মো. শহিদুল ইসলামের। ঘটনার সময় গাড়িটি তাঁর ছেলে সাদমান চালাচ্ছিলেন। এ সময় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গাড়িতে থাকা দুজনকে মারধর এবং গাড়িটি ভাঙচুর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী রিকশায় করে যাচ্ছিলেন এবং কয়েকজন গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় গাড়িটি দ্রুতগতিতে এসে তাদের ধাক্কা দেয়। এতে অন্তত ৫-৬ জন শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের মধ্যে দু’জনের পা কেটে যাওয়ায় রক্তক্ষরণ হয়। এ ছাড়া কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহতও হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম রহমান বলেন, বিকট শব্দ শুনে রাস্তায় এসে দেখি গাড়িটি রিকশায় জোরে ধাক্কা দিয়েছে। এতে রিকশায় থাকা শিক্ষার্থীরা ছিটকে পড়ে যান। এতে কয়েকজন আহত হন।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমি শুনলাম দুর্ঘটনার ঘটনাটি। কয়েকজন শিক্ষার্থী রিকশা থেকে পড়ে গেছে। আল্লাহ বাঁচিয়েছে যে কোনো ধরনের বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি।’
দুর্ঘটনার পর সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘অ্যাক্সিডেন্ট তো হতেই পারে। এখন ওই শিক্ষকের ছেলে হোক বা যেকোনো ব্যক্তিই হোক, তাকে মেরে ফেলার উপক্রম হয়ে যায়, এটাই আমাদের ঝামেলা।’