হোম > সারা দেশ > ঢাকা

বেইলি রোডে আগুন: রিমান্ড শেষে ৪ জন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বেইলি রোডে আগুনে ৪৬ জন নিহতের ঘটনার মামলায় গ্রেপ্তার চারজনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

যাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে, তাঁরা হলেন কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার জিসান, চা চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শাকিল আহমেদ রিমন এবং গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুল।

বিকেলে তাঁদের দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনছার মিলটন তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আইনজীবীরা চারজনের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন।

আদালত জামিনের আবেদন শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন এবং আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের প্রসিকিউশন দপ্তরের রমনা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই নিজাম উদ্দিন ফকির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনটিতে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ৪৬ জন মারা গেছেন। ১১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাঁদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। নিহতদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮ জন শিশু।

এ ঘটনায় ২ মার্চ শনিবার সকালে রমনা মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন ভবনটির নিচতলায় থাকা চা-কফির দোকান চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক (২৯), গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের মালিক আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ, ভবনের ম্যানেজার মুন্সি হামিমুল আলম বিপুল (৪০) এবং কাচ্চি ভাই নামে রেস্তোরাঁর মালিক মো. সোহেল সিরাজ (৩৪)। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ভবনটির মালিক ও ম্যানেজার সংশ্লিষ্ট যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট এবং দোকান ভাড়া দেন। রেস্টুরেন্টগুলো যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া রান্নার কাজে গ্যাসের সিলিন্ডার এবং চুলা ব্যবহার করে। রান্নার কাজে ব্যবহারের জন্য ভবনের মালিক ও ম্যানেজারের যোগসাজশে চুমুক, কাচ্চি ভাই, মেজবানী রেস্টুরেন্ট, খানাস ফ্ল্যাগশিপ, স্ট্রিট ওভেন, জেস্টি, হাক্কা ঢাক্কা, শেখহলি, ফয়সাল জুসবার (বার্গার), ওয়াফেলবে, তাওয়াজ, পিৎজা-ইন, ফোকো এবং এম্ব্রোশিয়া রেস্তোরাঁর মালিকেরা ভবনটির নিচতলায় বিপুল পরিমাণে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করেন।

তাঁরা জননিরাপত্তা তোয়াক্কা না করে অবহেলা, অসাবধানতা, বেপরোয়া, তাচ্ছিল্যপূর্ণ ও বিপজ্জনকভাবে এই গ্যাস সিলিন্ডার এবং গ্যাসের চুলা ব্যবহার করে আসছিলেন। এই গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। এই আগুনের তাপ ও প্রচণ্ড ধোঁয়া পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে বিভিন্ন ফ্লোরে থাকা রেস্টুরেন্ট ও দোকানে অবস্থানকারী লোকজন আগুনে পুড়ে ও ধোঁয়া শ্বাসনালিতে ঢুকে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান এবং গুরুতর আহত হন।

পুলিশ মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করেছে, ভবনটি আবাসিক ভবন হিসেবে নির্মিত হলেও পরবর্তী সময় মালিক ভবনের বিভিন্ন ফ্লোর ব্যবসায়িক কাজে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নেন। ভবনটির যেসব তলায় রেস্তোরাঁ ছিল, সেগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের কোনো অনুমোদন নেয়নি। এ ছাড়া অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। এমনকি ভবনটিতে ফায়ার এক্সিট সিঁড়িও নেই।

এজাহারে বলা হয়েছে, ভবনের মালিক, ম্যানেজার ও রেস্তোরাঁর মালিকেরা ভবন ব্যবহারের যথাযথ নিয়ম মানেননি। তাঁরা আবাসিক ভবনকে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ভাড়া দিয়েছেন। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দোকান পরিদর্শকদের ম্যানেজ করে অবৈধভাবে রেস্তোরাঁ স্থাপন করে, গ্যাসের চুলা ও সিলিন্ডার ব্যবহার করেছেন।

সাভারে এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

জাবিতে গোপনে ছাত্রীদের ছবি তোলায় যুবদল নেতা আটক, মুচলেকায় মুক্তি

ডিএমপিতে রদবদল: গোয়েন্দা বিভাগসহ একাধিক শাখায় ৭ শীর্ষ কর্মকর্তার বদলি

প্রকল্প থমকে আড়াই বছর, বেতন নেই ১১ মাস

রাজধানীতে বুলডোজারচাপায় প্রাণ গেল অজ্ঞাতনামা নারীর

চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার প্রতিবাদে শাহবাগে সমাবেশ, মশাল মিছিল

বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচের জেরে আদাবরে বিএনপি নেতা খুন, গ্রেপ্তার ৩

রাজধানীতে পৃথক স্থানে বিদ্যুতায়িত হয়ে দুই কর্মচারীর মৃত্যু

কামরাঙ্গীরচর থেকে নিখোঁজ পাটগ্রামের কিশোর লিমন, ২০ দিনেও মেলেনি সন্ধান

জামিন পেয়েও কারামুক্তি আটকে গেল সাবেক প্রধান বিচারপতির, আরেক মামলায় গ্রেপ্তার আবেদন