হোম > সারা দেশ > ঢাকা

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মামা ওবায়দুর ৪ দিনের রিমান্ডে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তাঁর মামা ওবায়দুর রহমানকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন আবেদনের প্রেক্ষিতে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মরিয়মের বিয়ের আগে থেকেই ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাঁদের বিয়েসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, মরিয়ম ফাঁস দিয়ে মারা যাওয়ার সময় মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বাসায় ছিলেন। তাঁদের কোনো ধরনের প্রভাবের কারণে মরিয়ম আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ছাড়া মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ বা ভয়ভীতি দেখানো কিংবা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় সহায়তার ক্ষেত্রে আসামিদের ভূমিকা ছিল কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলামকে দুই দফা আট দিন রিমান্ডে শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গত ২২ সেপ্টেম্বর একদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে গত বুধবার বাদীর সঙ্গে আপস হওয়ায় তাঁকে জামিন দেন ঢাকার সিএমএম আদালত।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মৃত মরিয়ম খাতুনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।