হোম > সারা দেশ > ঢাকা

মাদকবিরোধী অভিযানের সাফল্য এড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে গণমাধ্যম, অভিযোগ ইশরাকের

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মাদকবিরোধী অভিযানে পিস্তল হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ঘটনাকে ‘আত্মরক্ষার্থে’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে, গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত ঘটনার ভিডিও ও খণ্ডিত তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর।

আজ রোববার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় একটি মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন বলেন, একটি স্পর্শকাতর ঘটনার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভিডিওচিত্র ও খণ্ডিত সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে সামগ্রিক প্রেক্ষাপটকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনার পেছনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কবার্তা অনুযায়ী মাদক কারবারিদের কাছ থেকে আকস্মিক হামলার আশঙ্কার কথা তাঁকে জানানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী আস্তানার কাছে পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন আইনলঙ্ঘনকারী ব্যক্তি অতর্কিতে হইচই করে আমাদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে ধেয়ে আসে।’

ইশরাক হোসেনের দাবি, সেই মুহূর্তে জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন এবং পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পরপরই অস্ত্রটি আবার সরিয়ে ফেলা হয়। প্রদর্শিত আগ্নেয়াস্ত্রটি সম্পূর্ণ বৈধ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে জানান তিনি।

ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করার পর তাদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় ওই এলাকার সন্দেহভাজন মাদক আস্তানায় যৌথ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় চার থেকে পাঁচটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করার পাশাপাশি হেরোইন, বিদেশি মদ, দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়। এ সময় হাতেনাতে জড়িত ৬ জন সন্দেহভাজন মাদক কারবারিকে আটক করে গেন্ডারিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে এই যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে মাদকের বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ ছিল এবং গত জুন মাসে এক সহিংসতায় ৩ জন সাধারণ নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে সেখানে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রক্রিয়াও তিনি শুরু করেছিলেন।

বিবৃতিতে দেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের নাম উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইশরাক হোসেন। তাঁর মতে, অভিযানের মূল সাফল্য, মাদক উদ্ধার এবং আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে কেবল ‘অস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রীর অভিযান’—এই খণ্ডিত দৃশ্যটিকে চটকদার শিরোনামে প্রচার করা হয়েছে।

তিনি গণমাধ্যমগুলোকে যেকোনো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান।

মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খণ্ডিত প্রচারণার মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন স্তব্ধ করা যাবে না এবং ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, তদন্ত করবে পুলিশ

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

এডিপি বাস্তবায়নে পিছিয়ে ২৬ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ

‘স্ত্রী আমার সঙ্গে থাকলে তাঁকে নিয়ে বের হতে পারতাম’

প্লাস্টিক দূষণে কমছে প্রজননক্ষমতা, ঝুঁকিতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম

অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, দিলেন যে ব্যাখ্যা

গুলশানে আ.লীগের মিছিল: সাবেক মেয়রসহ ১৪ জন রিমান্ডে

ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

সাভারে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, পিকআপ জব্দ

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু ‎