ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে আবারও পালিয়েছেন হত্যা মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম। এর আগে গত বছরের জুনে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে পালিয়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনায় করা মামলায় আজ মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
কোতোয়ালি থানায় করা ওই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এ জন্য কারাগার থেকে তাঁকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলমের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাঁকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে তিনি কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কোতোয়ালি থানার মামলার হাজতি আসামি কৌশলে হাতকড়া খুলে আদালত থেকে পালিয়ে গেছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আদালতের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনাটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শরিফুলের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল আ. আলীম। তাঁকে ফাঁকি দিয়ে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শরিফুল।
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরে। তাঁর বাবার নাম শফিক আহমেদ। তাঁর বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন।
২০২৫ সালের ১৯ জুন খিলগাঁও থানার হত্যা মামলায় শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছিল। সেদিন পুলিশের এক সদস্যকে আঘাত করে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে যান তিনি। ওই ঘটনায় সেদিনই কোতোয়ালি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছিল, ২০১৮ সালে শরিফুলের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলাটি করা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর তিনি প্রায় ছয় বছর কারাগারে ছিলেন। পরে ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর ফেনী থেকে শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।