রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই জরিমানার টাকা পাবে শিশুর উত্তরাধিকারীগণ।
আজ রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের আগে আসামি সোহেল ও স্বপ্নাকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। রায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (২) ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় সোহেল রানাকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৯(২)/৩০ ধারায় স্বামীকে সহযোগিতার দায়ে স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছেন, আসামিরা জরিমানার টাকা পরিশোধ করলে ওই টাকা শিশুর উত্তরাধিকারীগণ পাবেন। আসামিরা টাকা পরিশোধ না করলে ওই টাকা আদায়ের জন্য ট্রাইব্যুনাল আসামিদের ঠিকানা সংশ্লিষ্ট জেলা কালেক্টরদের আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামিদের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ৭ লাখ টাকা আদায়ের নির্দেশ দিয়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, আদায়কৃত ৭ লাখ টাকা শিশুর আইনগত উত্তরাধিকারদের দিতে হবে।
এ মামলার রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী বিশেষ পিপি আজিজুর রহমান দুলু বলেন, শিশুর আইনগত উত্তরাধিকারীরা হলো তার বাবা, মা ও বোন। অর্থাৎ সে পরিবারই ওই টাকা পাবে।
ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, এটা ক্ষতিপূরণ হিসেবেই শিশুর পরিবার জরিমানার টাকাটা পাবেন।