হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সহপাঠীর ওপর হামলার বিচার চেয়ে জবিতে বিক্ষোভ, প্রশাসনের বাধা

জবি প্রতিনিধি‎

সহপাঠীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

‎‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সহপাঠীর ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন নিষিদ্ধ থাকার কথা জানিয়ে কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে প্রক্টরিয়াল বডি। পরে দফায় দফায় স্লোগান দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আজ রোববার দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘জাস্টিস ফর নিয়ামত’ ও ‘নিয়ামতের ওপর হামলার বিচার চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, ‘আমাদের সহপাঠীর সাতটি দাঁত ও চোয়াল ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার এত দিন পরও প্রশাসন কোনো দৃশ্যমান জবাব দিতে পারেনি। বিচার না পেয়ে আমরা কীভাবে চুপ থাকব?’

শিক্ষার্থীরা জানান, ৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় ভিডিও ধারণ করছিলেন গণিত বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নিয়ামত উল্লাহ শোয়াইব। এ সময় তাঁর ওপরও হামলা করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও দ্বিতীয় দফায় হামলার অভিযোগ ওঠে। ‎হামলায় নিয়ামতের চোয়াল গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং সাতটি দাঁত স্থানচ্যুত হয়েছে। পরে অস্ত্রোপচার করে তাঁর চোয়ালের ভেতরে স্টিলের প্লেট বসানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

‎‎চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর পর দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করে প্লেটটি অপসারণ করা হবে। এর আগে তিনি শক্ত খাবার খেতে পারবেন না। মুখে তীব্র ব্যথা থাকায় চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি কথা বলতে পারছেন না। কাগজে লিখে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে হচ্ছে।

‎আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো জবাবও পাওয়া যায়নি।

‎‎বিক্ষোভ চলাকালে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি বন্ধ করতে বলেন। এ সময় প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নঈম আখতার সিদ্দিকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে ৪ আগস্ট থেকেই ক্যাম্পাসে মিছিল, মিটিং ও মানববন্ধন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ‎তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর অভিযোগ থাকলে বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা বা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে লিখিতভাবে প্রক্টর অফিসে জানানো যেতে পারে।

‎অধ্যাপক ‎নঈম আখতার সিদ্দিকী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সংগঠনের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। পরিবেশ শান্ত রাখতে অন্য কয়েকটি সংগঠনের কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে। ৪ আগস্টের ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সচেতনতা বাড়াতে বোয়াসের সাঁতার উৎসব

ঋণ নয়, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে অনুদান হিসেবে: মানববন্ধনে ৩৬ সংগঠনের দাবি

রাজধানীর কদমতলীতে অতিরিক্ত মদ্যপানে অটোরিকশাচালকের মৃত্যু

দুর্গাপূজাকে ঘিরে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

শ্যামলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই নারী নিহত

গুলশানে বারে ডিএনসির অভিযান, ২৪৪ লিটার বিদেশি মদ-বিয়ার জব্দ

জবিতে ভিসি ভবনের পাশেই করা হলো গরু জবাই

রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

বরাদ্দের চাল কম দামে ক্রয় প্রভাবশালী চক্রের

রাজস্ব আদায় না বাড়ায়, বাড়ছে ঋণনির্ভরতা