হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় অটোরিকশাচালককে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রাজধানীর জুরাইনে ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মো. জনিকে (৩৫) ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় গতকাল শনিবার দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তাঁরা হলেন মো. মেহেদী হাসান বাপ্পি (২৮) ও মো. নুরুল আলম বারেক (২৪)। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া একটি মুঠোফোন ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার দুজনকে আজ রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে। পিবিআই ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ আজ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনি গত ২৯ আগস্ট রাত ১টার দিকে বাসা থেকে বের হন। ভোর ৫টার দিকে জুরাইনের মোক্তার হোসেন সড়কে ইয়াছিন হাজির বাড়ির সামনে তাঁকে বুকের বাঁ পাশে ছুরিকাহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে টহল পুলিশ। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় জনির মা ডালিয়া বেগম ১ সেপ্টেম্বর কদমতলী থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলাটির ছায়াতদন্ত শেষে ৯ সেপ্টেম্বর তদন্তের দায়িত্ব নেয় পিবিআই ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ। পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই আসামিকে শনাক্ত করে।

পিবিআই জানায়, জুরাইনের বরইতলী রেললাইন এলাকা থেকে শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে রাত আড়াইটার দিকে জুরাইন নোয়াখাইল্যা পট্টির বাসা থেকে বারেককে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানান, ২৯ আগস্ট বাপ্পি, বারেকসহ কয়েকজন ছিনতাইকারী দুই পথচারীর মুঠোফোন, টাকা ও একটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় জনি একজনকে ধরে ফেলেন। বাপ্পি ছুরি দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টার একপর্যায়ে তা জনির বুকে ঢুকে যায়। এরপর বারেককে নিয়ে বাপ্পি পালিয়ে যান।