কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের সানন্দা এলাকায় কিশোর ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন তুহিন, আনাস ও ফাহিম আহমেদ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে আজ শনিবার সন্ধ্যায় জানিয়েছেন জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস।
মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে তুহিন নামের এক তরুণকে দেখা যায়। পরে তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক তুহিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সানন্দা এলাকার নুরুল আলমের ছেলে। আটক অপর দুজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার সময় অপ্রতিমের সঙ্গে এক তরুণকে দেখা যায়। ওই ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
এর আগে আজ শনিবার দুপুরে লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত অপ্রতিম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার উদ্দেশ্যে গতকাল শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকায় নিজের বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম।