কুমিল্লার দেবিদ্বারে সাব্বির হত্যা মামলা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে দায়ের করা নাশকতার মামলায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে পৃথক স্থান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দেবিদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আল-আমিন অভি (২৯) এবং বরকামতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি আশরাফুল সরকার রাতুল (২০)।
আল-আমিন অভি উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। আশরাফুল সরকার রাতুল বরকামতা ইউনিয়নের বাগুর গ্রামের বাবুল সরকারের ছেলে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আমিনুল ইসলাম সাব্বিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় আল-আমিন অভি এজাহারভুক্ত ৪৪ নম্বর আসামি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর সাব্বিরের মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনার পর থেকে আল-আমিন অভি পলাতক ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর মুরাদনগর থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী মামলায়ও আল-আমিন অভি ১৯ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
এছাড়া, দেবিদ্বার থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খাদঘর এলাকায় ছাত্রলীগের প্ল্যাকার্ড হাতে সরকারবিরোধী মিছিল ও নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগে আশরাফুল সরকার রাতুলকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সাব্বির হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন অভি ও নাশকতা মামলার আসামি রাতুলকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আদালতের হাজতে পাঠানো হয়েছে।’