হোম > সারা দেশ > কুমিল্লা

দেবিদ্বারে ফরিদাসহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

সারা দেশে গুম, খুন, হত্যা, মাদক, সন্ত্রাস, ঘুষ-দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডসহ সারা দেশে গুম, খুন, হত্যা, মাদক, সন্ত্রাস, ঘুষ-দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় দেবিদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে কর্মসূচি শুরু হয়।

ভূমিহীন সংগঠনের উদ্যোগে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দেবিদ্বার নিউমার্কেটের “স্বাধীনতা স্তম্ভ”-এর পাদদেশে গিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

প্রতিবাদ সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড পরেশ কর। তিনি ফরিদা হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বক্তব্যে পরেশ কর বলেন, ‘ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি দেশের চলমান বিচারহীনতার সংস্কৃতিরই একটি নির্মম বহিঃপ্রকাশ। আজ শুধু দেবিদ্বার নয়, গোটা দেশ গুম, খুন, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। সাধারণ মানুষের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। ঘুষ আর দুর্নীতির কারণে মেহনতি ও ভূমিহীন মানুষেরা প্রতিনিয়ত অধিকারবঞ্চিত হচ্ছেন। নারী ও শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

আমরা আর কোন মায়ের বুক খালি দেখতে চাই না। অবিলম্বে ফরিদা ইয়াসমিন হত্যার সঙ্গে জড়িত খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সমাজ থেকে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজি নির্মূলে সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

ভূমিহীন সংগঠনের উপজেলা সভাপতি মো. মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নিজেরা করি সংস্থার বিভাগীয় সংগঠক মতিউর রহমান, আব্দুল জব্বার, দেবিদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার এবং ভূমিহীন নেতা বাদল মিয়া।

উল্লেখ্য, চলতি বছর আগস্ট মাসের শুরুতে কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুরে ৫৫ বছর বয়সী বাড়ির মালিক ফরিদা ইয়াসমিনকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।