চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বেনীপুর সীমান্ত দিয়ে এক ভারতীয় নাগরিকসহ পাঁচজনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় পুলিশের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে তাঁদের বেনীপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পরে তাঁরা জীবননগর শহরের দিকে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তাঁদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আটক পাঁচজনের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন বাগেরহাটের শরণখোলার আব্দুস শুকুর খান, সিলেটের শারমিন আক্তার রুমি ও হামিদা, চাঁদপুরের নয়ন এবং ভারতের কলকাতার বাসিন্দা নিয়ান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর পাঁচজন জীবননগর শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁদের আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে জীবননগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে বেনীপুর সীমান্ত এলাকার হাসিবুল ও আসমাউল নামে দুই ব্যক্তির নামও উঠে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাঁরা সীমান্ত পারাপারে সহায়তা করেছেন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, আটক পাঁচজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাঁদের পরিচয়, নাগরিকত্ব এবং কীভাবে তাঁরা সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ ভারতীয় নাগরিক কি না—জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘একজন হিন্দি ভাষায় কথা বলছেন এবং তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করেছেন। বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) পরিচালক ও অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনো অবগত নন। তিনি খোঁজ নিয়ে দেখছেন।