হোম > সারা দেশ > চুয়াডাঙ্গা

সেনা হেফাজতে নিহত শামসুজ্জামান ডাবলু হত্যা মামলা: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সিআইডির ডিআইজি

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 

ডাবলু হত্যা মামলার তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিআইডির খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ডিআইজি। ছবি: আজকের পত্রিকা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা হেফাজতে নিহত পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু (৫২) হত্যা মামলার তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিআইডির খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ডিআইজি মোহাম্মদ হাসান বারী নূর। আজ সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে তাঁর নেতৃত্বে সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল জীবননগরে পৌঁছে ডাবলুকে আটক করার স্থান এবং যেখানে তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল, সেসব স্থান পরিদর্শন করে। দলটি ঘটনার বিষয়ে তথ্য ও বিভিন্ন আলামতও সংগ্রহ করে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় নিহত শামসুজ্জামান ডাবলুর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর, সহসভাপতি তাজুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দিন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দীন ময়েন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

গত ১২ জানুয়ারি রাতে চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্পের একটি দল জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ডাবলুর নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে ডাবলুকে সেনা হেফাজতে নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাঁকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ডাবলুর মৃত্যুর খবর পেয়ে সেদিন রাত থেকেই হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। পরদিন দুপুরে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাসে তাঁর মরদেহ চুয়াডাঙ্গায় ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া হয়।

ময়নাতদন্তে ডাবলুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তে নেতৃত্ব দেওয়া চিকিৎসক ডা. এহসানুল হক তন্ময় জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখিত আঘাতের চিহ্নগুলোর সঙ্গে মরদেহে পাওয়া দাগের মিল পাওয়া গেছে এবং সেগুলো পরস্পর সঙ্গতিপূর্ণ।

ঘটনার দীর্ঘ ৫ মাস পর গত ১৯ জুন আদালতে ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের তৎকালীন অধিনায়ক লে. কর্নেল ফাহাদকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া, যাঁর হেফাজতে ডাবলুর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ, সেই ক্যাপ্টেন সৌমিকসহ আরও আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ডাবলুর পরিবার।

নিহত ডাবলুর স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, “আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার তিনটি মাসুম সন্তানকে এতিম করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার চাই।”

জীবননগরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা তুহিন গ্রেপ্তার

জীবননগর উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ওএমএসের চাল-আটা অবৈধ মজুত, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বহিষ্কার

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসিইউ উদ্বোধন, চালু হওয়া নিয়ে শঙ্কা

দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ও স্থানীয়রা

জীবননগর সীমান্ত এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে এমপি আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

নারী নৃত্যশিল্পীর আত্মহত্যা, মরদেহ দাফনে বাধা

চুয়াডাঙ্গায় আম সংগ্রহ শুরু: ক্যালেন্ডার মেনে বাজারজাত করার নির্দেশ