হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর পটিয়া হাসপাতালে বদলের হাওয়া

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের পাঁচ দিনের মাথায় বদলাতে শুরু করেছে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র। হাসপাতালটিতে আট চিকিৎসকসহ ১৭ জনবল পদায়ন করা হয়েছে। সরবরাহ করা হয়েছে সাপে কামড়ের প্রতিষেধক অ্যান্টিভেনম, র‍্যাবিস ভ্যাকসিন, র‍্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন ও ডায়রিয়ার স্যালাইন। রোগীর চাপ সামাল দিতে জরুরি বিভাগ সম্প্রসারণ এবং স্বাভাবিক প্রসবের জন্য বিশেষ কক্ষ নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপে দীর্ঘদিনের জনবলসংকট ও চিকিৎসাসেবার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

গত শনিবার (৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন, রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসাসেবার মান ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন সংকট ও সীমাবদ্ধতার বিষয়ে অবগত হওয়ার পর ৫০ শয্যার হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা এবং দ্রুত জনবল পদায়নের ঘোষণা দেন তিনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পটিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ এ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাসেবা নেন। প্রতিদিন বহির্বিভাগে এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। এ ছাড়া হাসপাতালে ভর্তি থাকেন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী। সীমিত জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে এত বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালটিকে আধুনিক ও মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। গত বৃহস্পতিবার আট চিকিৎসকসহ ১৭ জনবল হাসপাতালে যোগদান করেছেন।’

কর্মকর্তা আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার পাশাপাশি শিগগিরই ডায়ালাইসিস, প্রসূতি ও নবজাতক বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে পটিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।