চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন মহল থেকে চাপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিনগত গভীর রাতে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে চুয়েট ক্যাম্পাস। এরপর আজ সকাল থেকে অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে ভিসি কার্যালয়ের সামনে শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
এদিকে উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে নবম দিনের মতো আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ঠেকাতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতভর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান ও পাহারা দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিল থেকে অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
ওই রাতে প্রধান ফটক এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন এক পরিবেশ। কেউ কার্ড খেলায় মেতে ছিলেন, কেউ গিটারে সুর তুলছিলেন। আবার কেউ ল্যাপটপে অনলাইন ফুটবল খেলায় ব্যস্ত ছিলেন। কেউ খেলছিলেন ই-ফুটবল, কেউ ফিফা। অন্যদিকে সড়কে ক্রিকেট খেলছিলেন আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী।
এভাবেই বিভিন্ন আয়োজন ও বিনোদনের মধ্য দিয়ে রাত কাটান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাঁরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে অবস্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
তারপর সোমবার দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভিসি কার্যালয়ের সামনে শিক্ষকদের অবস্থানসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থাপত্য কৌশল বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াসিম রুবাইয়াত বলেন, ‘মূলত গ্রাফিতি একধরনের ভাষা ও শিল্পকর্ম। বিভিন্ন অন্যায় বা অনিয়মের প্রতিবাদে আমরা গ্রাফিতিকে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করি। মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যে আমাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় বিক্ষোভ মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করছি।’