হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

বাকলিয়ায় দুই পক্ষের গোলাগুলি: যুবদল কর্মী মুরাদ দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

গ্রেপ্তার তিনজন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গোলাগুলি, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনায় যুবদল কর্মীমোহাম্মদ মুরাদকে (৪৩) দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে বাকলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন মো. সুমন (৩৫) ও রুহুল আমিন (৩৭)। পুলিশ জানিয়েছে, মুরাদ চান্দগাঁও থানা যুবদলের একজন সদস্য।

নগর পুলিশের মুখপাত্র আমিনুর রশিদ বুধবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বাকলিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মুরাদ ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বিভিন্ন থানায় ১৬টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে রোববার রাত ১১টার দিকে বাকলিয়া থানার সৈয়দ শাহ রোডের মোরশেদ টাওয়ারের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই এবং পরদিন সোমবার অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নতুন করে মুরাদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ঘটনার রাতে মুরাদ ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত জসিমের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই পক্ষই লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা করে। পরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও কয়েকটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা আরও জানান, সংঘর্ষের সময় তাঁরা কয়েকটি বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতেও সড়কের ওপর দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এতে কয়েকটি বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত। ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ ও গোলাগুলির ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।