চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাইক্রোবাসের যাত্রী মা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও চার যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের আনোয়ারা জুট মিল গেট এলাকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন জয়পুরহাট পৌরসভার বাদশা গ্রামের মৃত নজিবুর রহমানের স্ত্রী রোজী আক্তার (৬৫) ও জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ গ্রামের আসলাম হোসেনের স্ত্রী নাজমা খাতুন (৪৫)। তাঁরা সম্পর্কে মা-মেয়ে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের নাম মো. আলতাফ হোসেন (৫৫)। আহত অপর তিনজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাসটি চট্টগ্রামমুখী লেনে যাওয়ার পথে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ উন্নয়ন ও বিতরণ কেন্দ্রের সামনে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় মাইক্রোবাসটি মহাসড়কের মাঝখানে থাকা আইল্যান্ডে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ভেতরে থাকা ছয় যাত্রী গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর চিকিৎসক রোজী আক্তার ও তাঁর মেয়ে নাজমা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন মণ্ডল। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসক মা-মেয়েকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই মিল্টন মণ্ডল আরও জানান, দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। তাঁরা ঢাকা থেকে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে বান্দরবানে যাচ্ছিলেন। পথে সীতাকুণ্ডে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।
এসআই বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুজনের মরদেহ তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।