চট্টগ্রাম নগরে চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ১৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে কোতোয়ালী থানা-পুলিশ। ১৩ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রামের মিরসরাই ও জোরারগঞ্জ এবং নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
আজ ১৯ অক্টোবর দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিএমপির দক্ষিণ জোনের উপকমিশনার মো. হাবিবুর রহমান।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১২ অক্টোবর কোতোয়ালী থানার কাঠের বাংলো এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য মো. সুমনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চোরাই মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সুমনকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার এবং তাঁদের কাছ থেকে ছয়টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ১৪ অক্টোবর একটি মামলা হয়। পরে গ্রেপ্তার আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৭ অক্টোবর চোর চক্রের অন্যতম সক্রিয় সদস্য ইমরান হোসেনকে (২৮) দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ইমরান হোসেনের তথ্যের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। পরে নোয়াখালীর চরজব্বর থানা ও চট্টগ্রামের মিরসরাই থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় আরও দুটি মোটরসাইকেল।
মো. হাবিবুর রহমান বলেন, পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে বিভিন্ন সময় চুরি হওয়া মোট ১৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, সর্বশেষ গ্রেপ্তার ইমরান হোসেন চোর চক্রের অন্যতম সদস্য। ২২ জুলাই দিনের বেলায় ব্যস্ত সড়কের পাশের একটি পার্কিং স্থানে রাখা মোটরসাইকেল কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে চুরি করে নিয়ে যান তিনি। ইমরান হোসেনের বাড়ি চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ এলাকায় হলেও তিনি পাহাড়তলীর একটি আবাসিক হোটেলে থাকতেন।