হোম > সারা দেশ > ব্রাহ্মণবাড়িয়া

দুর্গাপূজায় সীমান্তে আড়াই হাজার বিজিবি সদস্য, ৬৬৬ মণ্ডপে নিরাপত্তা

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি  

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। ছবি: আজকের পত্রিকা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জামালপুর থেকে ফেনী পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে বিজিবির ১৩টি ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করছে। পূজার নিরাপত্তায় ১২৮ প্লাটুন, অর্থাৎ প্রায় আড়াই হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৬৬৬টি পূজামণ্ডপ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার ঐতিহ্যবাহী রাধামাধব মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের কমান্ডার ও সরাইল রিজিয়ন সদর দপ্তরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, বিজিবিএম।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আগামীকাল বিকেল থেকে শুরু হয়ে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজা চলবে। বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সব পূজামণ্ডপে ইতিমধ্যে রেকি সম্পন্ন হয়েছে।

যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত পৌঁছাতে ৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে শুধু সরাইল ব্যাটালিয়নের ৩টি বেস ক্যাম্প রয়েছে।

মন্দির কমিটিকে বিজিবি সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সীমান্ত চৌকির মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে বলে জানান এই বিজিবি কর্মকর্তা। কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নিরাপত্তাব্যবস্থা সমন্বয়ের অংশ হিসেবে পুলিশ, আনসার ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। পূজার সময় সবাই মিলে যৌথ টহল পরিচালনা করা হবে।

মাঠপর্যায়ে ইতিমধ্যে টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে কোনো ধরনের হুমকি নেই এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভালো।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে পূজা-সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবি বা পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি। মন্দির কমিটির সদস্যরাও আশা প্রকাশ করেন, এবার পূজা নির্বিঘ্নে ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

পরিদর্শনের সময় সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ, রিজিয়ন সদর দপ্তরের অপারেশন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল হক, পিপিএম, পিএসসি এবং সরাইল ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক মো. হাসানুজ্জামানসহ বিজিবির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মন্দির কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।